দ্যা সুপারব্যবসায়

তরুণদের পছন্দের বই “আমি একজন সেলসম্যান “

 

চট্টগ্রাম নগরের জিমনেসিয়ামে একুশে বইমেলায় র‌্যাংকস এফসি’র সিইও, তরুণ করপোরেট ব্যক্তিত্ব এবং পাবলিক স্পিকার তানভীর শাহরিয়ার রিমনের ‘আমি একজন সেলসম্যান’ বইয়ের মোড়ক উন্মোচন হয়েছে।বুধবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় বইটির মোড়ক উন্মোচন করা হয়।

তানভীর শাহরিয়ার রিমন জানান, বর্তমান সময়ে করপোরেট অফিসগুলোতে বিক্রয় ও বিপণনকর্মীদের ওপর চাপ করপোরেট সংস্কৃতির একটা অংশ হয়ে গেছে। এ চাপ সহ্য করে অনেকে উপর উঠতে পারলেও অনেকে আবার ঝরে পড়েন। ইমোশনাল ইন্টেলিজেন্সের প্রয়োগ দিয়ে বিষয়টি সহজে জয় করা যায়। বইটি সেলসম্যানদের যাপিত জীবনের গল্প। এ ধরনের বই এর আগে কেউ লেখেননি বলে দাবি করেন তিনি।

তিনি বলেন, করপোরেট সংস্কৃতিতে যারা অভ্যস্ত, যারা সেলস পেশায় আছেন, যারা প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন বিভাগীয় প্রধান, অথবা শীর্ষ কর্মকর্তা তারা এই বইয়ে নিজেদের খুঁজে পাবেন। যারা নতুন, ক্যারিয়ার মাত্র শুরু করেছেন কিংবা চাকরি খুঁজছেন এই গল্প তাদেরও। এমনকি যারা তরুণ উদ্যোক্তা, টিম তৈরি করতে মুখিয়ে আছেন তারাও খুঁজে পাবেন ভিন্ন স্বাদ ।

তানভীর শাহরিয়ার রিমন বলেন, আমি এই বইটি লিখেছি যেন বিজনেস লিডাররা সেলসম্যানদের বুঝতে চেষ্টা করেন। আমরা এমন সেলসম্যান চাই যারা সেলস করবে আবার কবিতা লিখবে, গান গাইবে। তাদের মন এবং মননকে বাঁচিয়ে রাখতে হবে। তাদের সৃষ্টিশীলতাকে বাঁচিয়ে রাখতে হবে ।

উপস্থিত ছিলেন ইনকাম ট্যাক্স কমিশনার কবি বাদল সৈয়দ, পুলিশের উপ-কমিশনার বিজয় বসাক, ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস ফোরামের সভাপতি আবু তৈয়ব, পূবালী ব্যাংকের পরিচালক এবং র‌্যাংকস এফসি ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফাহিম ফারুক চৌধুরী, সানশাইন গ্রামার স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা অধ্যক্ষ সাফিয়া গাজী রহমান, বারকোডের সিইও মনজুরুল হক, আলভিয়ন গ্রুপের চেয়ারম্যান রাইসুদ্দিন সৈকত, দৈনিক আজাদীর নির্বাহী পরিচালক শিহাব মালেক, রোটারির ডিজি এনডি রুহেলা খান প্রমুখ।

 

কম বেশি সবাই পছন্দ করছে বইটি,বিশেষ করে তরুণেরা :

 

“আমি একজন সেলসম্যান ” বইয়ের রিভিউ :

বিশ শতকে বিক্রয়কর্মীদের ভিতর সবচেয়ে জনপ্রিয় স্কিল আইকিউ হলেও একুশ শতকে এখন সেটি অনেক বদলে গেছে। বর্তমানে কর্মীদের ভিতর ইমোশনাল ইন্টিলিজেন্স কে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়। Google, Microsoft, Apple, Amazon মতো কোম্পানি গুলো তে জব করার প্রথম শর্ত উচ্চমানের Emotional Intelligence.

কর্পোরেট জীবনে টিকে থাকতে হলে এখন আর আইকিউ দিয়ে টিকতে পারবেন না। প্রতিটি বিক্রয়কর্মীদের ভিতর অবশ্যই ইমোশনাল ইন্টিলিজেন্স থাকতে হবে। ইমোশনাল ইন্টিলিজেন্স থাকলে আপনি সহজে আপনার মাসিক বিক্রির টার্গেট পূরণ করতে পারবেন। আপনার ইমোশনাল ইন্টিলিজেন্স ব্যালেন্স এর পরিমাণ যত বেশি হবে অন্যদের উপর আপনার নিয়ন্ত্রণ ক্ষমতা আপনার তত বেশি বৃদ্ধি পাবে। এছাড়া ইমোশনাল ইন্টিলিজেন্স আপনাকে আপনার অফিসের সবচেয়ে সুদর্শন, বিশ্বস্ত ও বেতনভুক্ত কর্মী, ভালো নেতা হতে সাহায্য করবে।

বর্তমান সময়ে কর্পোরেট অফিসগুলোতে বিক্রয় ও বিপণনকর্মীদের উপর চাপ কর্পোরেট সংস্কৃতির একটা অংশ হয়ে গেছে। এ চাপ সহ্য করে অনেকে উপর উঠতে পারলেও অধিকাংশ মানুষ ঝড়ে পড়ে। কিছু কৌশল প্রয়োগ করলে তারা সহজে বিক্রয় চাপ জয় করতে পারে। এ বই এ লেখক সেইরকম কিছু কৌশল শেয়ার করেছেন।

কর্পোরেট সংস্কৃতিতে যারা অভ্যস্থ, যারা সেল্স পেশায় আছেন, যারা প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন বিভাগীয় প্রধান, অথবা শীর্ষ কর্মকর্তা এই বইয়ে তারা নিজেদের খুঁজে পাবেন । যারা নতুন, ক্যারিয়ার মাত্র শুরু করেছেন কিংবা চাকরি খুঁজছেন এই গল্প তাদেরও । এমনকি যারা তরুণ উদ্যেক্তা, টিম তৈরী করতে মুখিয়ে আছেন তারাও খুঁজে পাবেন ভিন্ন স্বাদ ।

এ বইয়ের কিছু চুম্বক লাইন,

১.সবসময় মনে রেখো, জীবনে দুধরনের পেইন আছে । কিছু পেইন আমাদের কষ্ট দেয় । কিছু পেইন আমাদের বদলে দেয় । কিন্তু দু’ধরনের পেইনই আমাদের সাহায্য করে-বড় হতে ।

২.একসাথে না থাকার জন্য হাজারটা কারণ খোঁজা যেতে পারে কিন্তু থাকার জন্য কেবল একটা কারনই যথেষ্ট-ভালোবাসা !

৩.কারো কোনো কথা যদি তোমাকে নেগেটিভ ভাবে নিয়ন্ত্রন করে ফেলে তাহলে বুঝতে হবে যেকোনো কিছুই তোমার উপর নিয়ন্ত্রন নিতে পারবে ।

৪.-অনেক লোকজনই আছে অহেতুক পেছনে কথা বলে তোমাকে খোঁচাতে চেষ্টা করবে । তাদের প্রতি তোমার সেরা প্রতিত্তোর হলো চুপ থাকা।

বইয়ের পিছনের কিছু গল্প :

বইটি পাবেন ঃ

rokomari.com | http://bit.ly/2H7tqbl
BoiBazar | http://bit.ly/2SrE6H4

রিলেটেড পোস্ট

Leave a Reply

avatar
100
  Subscribe  
Notify of
Close