ক্রিকেট

মাশরাফিকে বাদ দেওয়া হোক, তামিমকে রেস্টে পাঠানো হোক

মাশরাফিকে বাদ দেওয়া হোক, তামিমকে রেস্টে পাঠানো হোক ইত্যাদি ইত্যাদি—- সস্তা ইন্টারনেটে কতো কথা। সমালোচনা বুঝে করছেন তো?

গত ২০১৫ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপের পর থেকে ওয়ানডেতে বাংলাদেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ উইকেটশিকারী মাশরাফি, ৬৩ ম্যাচে ৭৬ উইকেট। শীর্ষে মুস্তা, ৮৭ উইকেট। ওই কন্ডিশনে মাশরাফি কার্যকর নয় বলে চেঁচামেচি হচ্ছে। কিন্তু এই কন্ডিশনেই কদিন আগে সামর্থ্যরে প্রমাণ দিলেন মাশরাফি। আয়ারল্যান্ডের ত্রিদেশীয় সিরিজে পরপর দুই ম্যাচে তিন তিন ছয় উইটেক নিয়েছেন।

অধিনায়কত্বের কথা একবার ভাবুন, মাশরাফি অধিনায়ক হওয়ার আগে বাংলাদেশ দল কেমন ছিল আর পরে কেমন হয়েছে। দলে ক্রিকেটার কিন্তু খুব বেশি পরিবর্তন হয়নি। কাচা মাথার লোকজন নয়, ক্রিকেটে যারা কিংবদন্তি, বিশ্লেষক তারাই মনে করেন, মাশরাফির নিখুঁত নেতৃত্ব এভাবে ‘বড় দল’ হয়ে উঠতে বড় সাহায্য করেছে বাংলাদেশকে।

তামিম ইকবালকে পছন্দ হচ্ছে না! কিন্তু গত বিশ্বকাপ থেকে এই তামিমই বাংলাদেশের সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক। ৫৫ ম্যাচ খেলে ৫৪.৬৮ গড়ে ২৫৭০ রান। সেঞ্চুির ৭টি, হাফ সেঞ্চুরি ১৮টি। বিশ্বকাপের পর তামিমের পারফরম্যান্স গ্রাফ বিশ্বের বাঘা বাঘা ব্যাটসম্যানের উপরে।

পাকিস্তান সিরিজ, ভারত সিরিজ, দক্ষিণ আফ্রিকা সিরিজ, শ্রীলঙ্কায় গিয়ে টেস্ট জয়, উইন্ডিজে গিয়ে সিরিজ জয় এসবে তামিমই নায়ক। নিউজিল্যান্ড গিয়ে কয়েক মাস আগেই তাদের পেসারদের শাসন করে এসেছেন। বিশ্বকাপের আগেই আয়ারল্যান্ডে ত্রিদেশীয় সিরিজেও তো দুটা হাফ সেঞ্চুরি করলেন। কিন্তু দুইটা ম্যাচ খারাপ খেলতেই বাঙালির আর সহ্য হচ্ছে না। বাদ দেওয়ার জন্য, বিশ্রামে পাঠানোর জন্য ঠেলাঠেলি!!!!!!

দুই ম্যাচ বাজে খেলতেই বিশ্বকাপের মতো আসরে অধিনায়ক পাল্টানোর দাবি তোলাকে ‘ক্রিকেট সমালোচক’ বলে না ডিয়ার, মাথা মোটা বলে। এসব সমালোচনা নয়, আক্রোশ

রিলেটেড পোস্ট

Leave a Reply

avatar
100
  Subscribe  
Notify of
Close